• বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১১ ১৪২৭

  • || ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশের ইতিহাসে প্রথম দুই কার্য দিবসেই শেষ হলো ধর্ষণ মামলার বিচার ধর্মের নামে উস্কানিমূলক বক্তব্য বরদাস্ত করা হবে না- শিবলী সাদিক পাটগ্রামে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে বিপুল সম্ভাবনা ‘ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য সকল প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে’

কুড়িগ্রামে ধর্ষণের অভিযোগ করে বহিষ্কার হলো ছাত্রী

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২০  

Find us in facebook

এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন এক ছাত্রী। পরে তদন্ত করে ওই ছাত্রীকে স্থায়ী বহিস্কার করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষককে কলেজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজে ঘটেছে এই ঘটনা। 

ছাত্রীর অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের খণ্ডকালীন ইংরেজি শিক্ষক হাবিবুল্লাহ খোকনের কাছে প্রাইভেট পড়তেন এইচএসসি প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রী। বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়ার সুযোগে তাকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দেন ওই শিক্ষক। পরে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন শিক্ষক হাবিবুল্লাহ। 

এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী বিয়ের চাপ দিলে তড়িঘরি করে অন্যত্র বিয়ের আয়োজন করেন শিক্ষক হাবিবুল্লাহ। পরে তিনি গোপনে বিয়ে করলে গত এপ্রিল মাসে অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন প্রতারণার শিকার ওই ছাত্রী। 

পরবর্তীতে অভিযোগের প্রেক্ষিতে কমিটি গঠন করে তদন্ত শেষে ওই ছাত্রীকে বহিষ্কার করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। পরে ভূরুঙ্গামারীর তৎকালীণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দেন ওই ছাত্রী। কিন্তু এতেও কোনো পদক্ষেপ নেননি সংশ্লিষ্টরা। 

এদিকে কলেজের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে ওই ছাত্রীর পড়ালেখা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। এ অবস্থায় ছাত্রত্ব ফিরে পেতে দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন ওই ছাত্রী। 

ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. খালেদুজ্জামান বলেন, কলেজ পরিচালনা কমিটি ও তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্তে ওই ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যেহেতু সে অন্যায় করেছে। বিষয়টি অন্য শিক্ষার্থীদের উপর প্রভাব পড়তে পারে। এজন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কলেজ পরিচালনা কমিটির তৎকালীন সভাপতি স্থানীয় (কুড়িগ্রাম-১) সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর জানান, তদন্ত কমিটি তাদের দুজনের অন্যায় খুঁজে পেয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারো কারণে কলেজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এটা ঠিক না।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামছুল আলম বলেন এ ঘটনায় ছাত্রীটির উপর দুটি অনৈতিক কাজ হয়েছে। একে শিক্ষকের ঘৃণিত কাজ; অন্যটি বহিষ্কার। তার পড়ালেখা যাতে বন্ধ না হয়, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here