• শুক্রবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
গৌরবদীপ্ত বিজয়ের মাস শুরু দেশে করোনার টিকার ৪র্থ ডোজ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রংপুর সিটি নির্বাচনে ১০ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ নীলফামারীতে ইয়াবাসহ ১৫ মামলার আসামি গ্রেফতার টিসিবির জন্য ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার

নানাকে হত্যার দৃশ্য দেখে ফেলায় নাতনিকেও হত্যা

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২  

Find us in facebook

আধিপত্য বিস্তারকে নিয়ে ২০২১ সালের ৬ এপ্রিল ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলামকে সন্ত্রাসী দিয়ে খুন করেন সাইফুল ইসলাম। হত্যাকাণ্ডটি ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য চাচাতো ভাই রেয়াজুল ইসলামকেও হত্যা করেন তিনি। কিন্তু এখানেই বাধে বিপত্তি। রেয়াজুলকে হত্যার দৃশ্য দেখেন তার ১২ বছরের নাতনি মোনালিসা। তাকেও কয়েকবার হত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন সাইফুল। পরে মেয়েকে বাঁচতে মোনালিসা ও তার মা আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু হয়নি শেষ রক্ষা। উপবৃত্তি দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেয়া হয় শিশু মোনালিসা ও তা মাকে। পরে মোনালিসাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে রাখেন। হত্যাকাণ্ডের ১৫ মাস পর গঙ্গাচড়া থানায় মামলা করা হয়। অবশেষে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই নারীকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার হোহালী ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকায়। সোমবার দুপুরে নগরীর কেরানীপাড়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুর সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আতাউর রহমান।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের ৬ এপ্রিল আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলার হোহালী ইউপির আনন্দ বাজার এলাকায় সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আজিজুল ইসলামকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য সাইফুল তার চাচাতো ভাই রেয়াজুল ইসলামকেও হত্যা করে। রেয়াজুল ইসলামকে হত্যার দৃশ্য দেখে ফেলে তার ১২ বছরের নাতনি মোনালিসা। নানাকে হত্যার কথা তার নানিকে জানালে আসামিরা মোনালিসাকে হত্যার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। মেয়ের জীবন বাঁচাতে দুই মাস আত্মগোপনে থাকেন মা ও মেয়ে। তবুও হয়নি শেষ রক্ষা।

তিনি আরো বলেন, আসামিরা উপবৃত্তি দেওয়ার কথা বলে ৬ জুন কৌশলে মা-মেয়েকে ডেকে আসেন। ৯ জুন মোনালিসাকে শ্বাসরোধ করে লাশ ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে রাখেন আসামিরা। এ ঘটনায় সিআইডি চলতি বছরের ৪ আগস্ট গঙ্গাচড়া থানায় একটি মামলা করে। পরে গঙ্গাচড়া উপজেলার চড় বাগডহড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মোতাহারা বেগম ও ময়না বেগমকে গ্রেফতার করে হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়।

Place your advertisement here
Place your advertisement here